Posts

চুল পড়া সমস্যা? ঘরোয়া উপায়। যে কোনো একটি নিয়ম পালন করুন।

 গরম তেল ম্যাসাজ: গরম তেল, যেমন নারকেল, বাদাম তেল দিয়ে আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়ায়, চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুল পড়া কমায়। ধোয়ার আগে অন্তত এক ঘণ্টা তেল লাগিয়ে রাখুন। অ্যালোভেরা জেল: তাজা অ্যালোভেরা জেল সরাসরি আপনার মাথার ত্বকে লাগান। অ্যালোভেরার বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা মাথার ত্বককে প্রশমিত করতে পারে, খুশকি কমাতে পারে এবং চুলকে মজবুত করতে পারে। ডিমের মাস্ক: একটি ডিম বিট করে আপনার চুল এবং মাথার ত্বকে লাগান। ডিম প্রোটিন এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ যা আপনার চুলকে পুষ্ট করতে পারে এবং বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ধোয়ার আগে প্রায় 20 মিনিটের জন্য এটি ছেড়ে দিন। পেঁয়াজের রস: পেঁয়াজের রস বের করে আপনার মাথার ত্বকে লাগান। পেঁয়াজের রসে সালফার থাকে, যা রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে, প্রদাহ কমাতে এবং চুলের পুনঃবৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে। মেথি বীজ: মেথি দানা সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, তারপর পেস্ট বানিয়ে নিন। আপনার চুল এবং মাথার ত্বকে পেস্টটি প্রয়োগ করুন এবং ধুয়ে ফেলার আগে প্রায় 30 মিনিটের জন্য রেখে দিন। মেথি চুলকে মজবুত করে এবং চুল পড়া রোধ করে বলে বিশ্বাস করা হয়।

সহজে ঘুম আসে না? জেনেনিন এই কৌশল, মাত্র ২ মিনিটে ঘুমিয়ে পড়বেন।

4 -7-8 শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল: চারটি গণনা করার জন্য আপনার নাক দিয়ে শান্তভাবে শ্বাস নিন, সাতটি গণনা করার জন্য আপনার শ্বাস ধরে রাখুন এবং আটটি গণনা করার জন্য আপনার মুখ দিয়ে শ্রবণে শ্বাস ছাড়ুন। শিথিলকরণ প্রচার করতে কয়েকবার পুনরাবৃত্তি করুন।

মাত্র কয়েকটি অভ্যাস বদলে দিন। দ্রুত শরীরের চরবি কমে যাবে।

 সুষম খাদ্য: প্রচুর ফল, শাকসবজি, চর্বিহীন প্রোটিন এবং গোটা শস্য সহ একটি সুষম খাদ্যের দিকে মনোনিবেশ করুন। হাইড্রেশন: সারা দিন পর্যাপ্ত জল পান করুন; এটি বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে এবং অপ্রয়োজনীয় খাবার কমাতে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম: বাড়িতে  প্রতিদিন বিকালে অথবা সকালে আধঘণ্টা লাফ দড়ি,শরীরের ওজনের ব্যায়াম, যোগব্যায়াম।  অংশ নিয়ন্ত্রণ: স্বাস্থ্যকর খাবারের সাথেও অতিরিক্ত খাওয়া এড়াতে অংশের আকার সম্পর্কে সচেতন হন। প্রক্রিয়াজাত খাবার সীমিত করুন: প্রক্রিয়াজাত এবং চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন, কারণ এগুলো ওজন বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুম: আপনি পর্যাপ্ত মানের ঘুম পাচ্ছেন তা নিশ্চিত করুন, কারণ ঘুমের অভাব বিপাককে প্রভাবিত করতে পারে এবং ওজন বাড়াতে পারে। মনযোগী খাওয়া: আপনি যা খাচ্ছেন তার প্রতি মনোযোগ দিন, প্রতিটি কামড়ের স্বাদ নিন এবং খাবারের সময় টিভি বা পর্দার মতো বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলুন। স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকিং: খাবারের মধ্যে ক্ষুধা নিবারণের জন্য ফল, বাদাম বা দইয়ের মতো পুষ্টিকর স্ন্যাকস বেছে নিন। গুরুত্বপূর্ণ: সকালে খালি পেটে হালকা গরম জলের সাথে অর্ধেক লেবু...

CAN YOU THINK ??

 " জনসাধারন " শব্দটি  কিন্ত খুবই সাধারন , এবং খুব চেনা একটি শব্দ। সারাদিনে কতবারই না শব্দটা  শুনতে পাই আমরা। প্রতি নিয়ত নেতা  মন্ত্রী দের মুখে শুনতে পাই শব্দটি । কখনো বাসে ট্রেনে কখনো বা চায়ের দোকানে ,রাস্তা ঘটে প্রতি নিয়ত শুনতে পাই- "আমরা সাধারণ মানুষ,আমাদের কোনো দাম নেই" , আমাদের কি আর  ক্ষমতা , আমাদের কি করার আছে ।" এই সব কত কিছুই শুনতে পাই।     সত্যিই কি আমাদের কোনো দাম নেই ? সত্যিই কি আমাদের কোনো ক্ষমতা নেই ? সমাজের উচু মহলে  কি আমাদের কোনো মূল্য নেই ? আমরা কি শুধু ভোট দেয়ার জন্য ? কেনই বা বেশির ভাগ সাধারণ মানুষ(আমরা ) এগুলো বলে থাকি ? নিশ্চয় তার কারণ আছে। কোনো দিন কি আমরা আমাদের সংবিধানের চোখে নিজেদেরকে দেখেছি। সংবিধানের চোখে কিন্ত আমরা কিন্ত অনেক দামি ,আমরাই দেশের সম্পদ , এক কথায় আমরা সাধারণ মানুষ হলাম দেশের মালিক।  কিন্ত দেশের সমাজ ব্যাবস্তা কি আমাদেরকে সেটা অনুভব করায় ?......... না।  ভেবে দেখেছেন , আপনার বাড়ীর কাজের লোকটা যদি হটাৎ আপনার বাড়ীর প্রমান চায় , কেমন লাগবে আপনার ...

বাবার কথাটা হয়তো আমরা ভুলে যায়

"বাবা" নামটি আমাদের সবার চেনা, জীবনের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটা অংশ... কিন্তু এই চেনা নাম টিকে আমরা চকচকে ঝকঝকে,বাহবা আকাঙ্খিত, উচ্চ শিক্ষিত,ব্যাস্ত এবং আধুনিক সমাজে অচেনা, অপ্রয়োজনীয় করে তুলছিনা তো?? কেমন যেন স্বার্থপর হয়ে উঠছি আমরা... এখন আমরা সোশ্যাল মিডিয়া প্রভাবিত সমাজের অংশ. আমরা খাবারের চেয়ে like,comment,share গুলিকেই পুষ্টি হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে থাকি. তাই আমরা like, comment, বা প্রশংসার তাগিদে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা রাস্তাঘাটে অথবা আড্ডায় কৃতজ্ঞতা ফলাতে "মা" এর গুরুত্ব ও প্রশংসার প্রতিযোগিতায় লেগে পড়ি.. তা ভালো কথা, মায়ের কোনো তুলনা হয়না. মা তো নিঃস্বার্থে সারা জীবন ভালোবেসে যায়. মায়ের প্রশংসা তে খারাপ কিছু নেই,, মায়ের পায়ে আমাদের সর্গ একথা  অস্বীকার করার জায়গা নেই. কিন্তু আমাদের জীবনে বাবার গুরুত্ব টাও কম নেই. বাবা সম্পর্কে আমরা খুব কম ই শুনতে পাই. হয়তো আমরা ইচ্ছাকৃত ভাবেই বাবা নামক প্রানীটিকে ignore করে চলি. আমরা ভুলে যেতে চাই যে পুরো সমাজ টা গড়তে বাবা দের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা.  হয়তো বাবাদের এটা দুর্ভাগ্য. ভেবে দেখেছেন, একটা বাবা তার সারা জীবন টা একটু ...